অ্যালবুট্রিম
জেনেরিক নাম
কো-ট্রাইমক্সাজল (সালফামেথক্সাজল এবং ট্রাইমেথোপ্রিম)
প্রস্তুতকারক
এক্সওয়াইজেড ফার্মা লিমিটেড
দেশ
বাংলাদেশ
Loading images...
মূল্যের বিবরণ
বর্তমান বাজার মূল্যের তথ্য
| ভেরিয়েন্ট | একক মূল্য | পাতার মূল্য |
|---|---|---|
| albutrim 200 mg suspension | ২০.০০৳ | N/A |
বর্ণনা
ওষুধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
অ্যালবুট্রিম ২০০ মি.গ্রা. সাসপেনশন হলো সালফামেথক্সাজল এবং ট্রাইমেথোপ্রিমের সম্মিলিত একটি অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ঔষধ। এটি শ্বাসতন্ত্র, মূত্রনালী এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টের বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
ব্যবহার ও নির্দেশনা
ডোজ
শিশু
শিশু (৬ সপ্তাহ থেকে ৫ মাস): ২.৫ মি.লি. প্রতি ১২ ঘন্টা; (৬ মাস থেকে ৫ বছর): ৫ মি.লি. প্রতি ১২ ঘন্টা; (৬ থেকে ১২ বছর): ১০ মি.লি. প্রতি ১২ ঘন্টা। ডোজ ট্রাইমেথোপ্রিম উপাদানের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হওয়া উচিত, দৈনিক ৬-১২ মি.গ্রা./কেজি, দুটি বিভক্ত ডোজে, প্রাপ্তবয়স্কদের ডোজ অতিক্রম করা যাবে না।
বয়স্ক রোগী
বয়স-সম্পর্কিত রেনাল কার্যকারিতা হ্রাসের কারণে ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।
কিডনি সমস্যা
ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ৩০ মি.লি./মিনিট এর কম রোগীদের জন্য ডোজ কমানো প্রয়োজন। ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ১৫ মি.লি./মিনিট এর কম হলে সুপারিশ করা হয় না।
প্রাপ্তবয়স্ক
নির্দিষ্ট নির্দেশনার জন্য, ২০ মি.লি. (৪ চা চামচ) সাসপেনশন প্রতি ১২ ঘন্টা পর পর, যদিও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণত ট্যাবলেট ফর্ম পছন্দ করা হয়। (সাধারণ প্রাপ্তবয়স্কদের ডোজ: সালফামেথক্সাজল ৮০০ মি.গ্রা. এবং ট্রাইমেথোপ্রিম ১৬০ মি.গ্রা. প্রতি ১২ ঘন্টা)।
কীভাবে গ্রহণ করবেন
মৌখিক সেবনের জন্য। ব্যবহারের পূর্বে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন। খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়া সেবন করা যেতে পারে, তবে খাবারের সাথে সেবন করলে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা কমে। ক্রিস্টালুরিয়া প্রতিরোধে প্রচুর তরল পান করুন।
কার্যপ্রণালী
সালফামেথক্সাজল প্যারা-অ্যামিনোবেঞ্জোইক অ্যাসিড (PABA) এর সাথে প্রতিযোগিতা করে ব্যাকটেরিয়ার ডাইহাইড্রোফলিক অ্যাসিড সংশ্লেষণকে বাধা দেয়। ট্রাইমেথোপ্রিম ব্যাকটেরিয়ার ডাইহাইড্রোফোলেট রিডাক্টেজকে বাধা দেয়, যা ডাইহাইড্রোফোলেটকে টেট্রাহাইড্রোফোলেটে রূপান্তরিত হতে দেয় না। ফলিক অ্যাসিড সংশ্লেষণের এই ধারাবাহিক অবরোধের কারণে একটি সিনারজিস্টিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রভাব দেখা যায়।
ফার্মাকোকাইনেটিক্স
শোষণ
মৌখিকভাবে সেবনের পর গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্ট থেকে দ্রুত এবং প্রায় সম্পূর্ণ শোষণ হয়।
নিঃসরণ
প্রধানত গ্লোমেরুলার ফিলট্রেশন এবং টিউবুলার সিক্রেশনের মাধ্যমে কিডনি দ্বারা নিঃসৃত হয়।
হাফ-লাইফ
ট্রাইমেথোপ্রিম: ৮-১০ ঘন্টা; সালফামেথক্সাজল: ১০-১২ ঘন্টা।
মেটাবলিজম
প্রাথমিকভাবে হেপাটিক মেটাবলিজম (সালফামেথক্সাজল N4-এসিটাইলেটেড হয়, ট্রাইমেথোপ্রিম অক্সিডেশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়)।
কার্য শুরু
সাধারণত ১ থেকে ৪ ঘন্টার মধ্যে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রভাব দেখা যায়।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
প্রতিনির্দেশনা
- •সালফামেথক্সাজল, ট্রাইমেথোপ্রিম বা এর যেকোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা
- •ফোলেট ঘাটতিজনিত মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া
- •তীব্র হেপাটিক বা রেনাল বৈকল্য
- •পোর্ফাইরিয়া
- •৬ সপ্তাহের কম বয়সী শিশুদের জন্য
- •গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায় এবং স্তন্যদান (নবজাতকদের কার্নিক্টেরাস হওয়ার ঝুঁকির কারণে)
ওষুধের মিথস্ক্রিয়া
ফেনাইটোইন
ফেনাইটোইনের মাত্রা বাড়াতে পারে।
ওয়ারফারিন
অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট প্রভাব বাড়াতে পারে, নিবিড় INR পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হয়।
মেথোট্রেক্সেট
মেথোট্রেক্সেটের মাত্রা এবং বিষাক্ততা (যেমন, অস্থিমজ্জা দমন) বাড়াতে পারে, বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে।
ডাইউরেটিকস (থিয়াজাইড/লুপ)
বিশেষ করে বয়স্কদের মধ্যে পারপুরা সহ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
সংরক্ষণ
৩০° সেলসিয়াস এর নিচে সংরক্ষণ করুন। আলো ও আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করুন। ফ্রিজে রাখবেন না।
মাত্রাতিরিক্ত
তীব্র অতিরিক্ত মাত্রার লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, মানসিক অবসাদ এবং বিভ্রান্তি। দীর্ঘস্থায়ী অতিরিক্ত মাত্রা অস্থিমজ্জা দমন (যেমন, থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া, লিউকোপেনিয়া, মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া) ঘটাতে পারে। চিকিৎসায় গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ বা ইমেসিস, জোরপূর্বক ডিউরেসিস এবং প্রস্রাবের অম্লীকরণ অন্তর্ভুক্ত। ফোলেট ঘাটতির প্রভাব মোকাবেলায় লিউকোভরিন দেওয়া যেতে পারে।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থার জন্য ক্যাটাগরি D (প্রাথমিক গর্ভাবস্থায় নিউরাল টিউব ত্রুটির ঝুঁকি; শেষ গর্ভাবস্থায় কার্নিক্টেরাসের ঝুঁকি)। নবজাতকদের কার্নিক্টেরাসের ঝুঁকির কারণে গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায় এবং স্তন্যদানকালে এড়িয়ে চলুন। যদি সম্ভাব্য সুবিধা ভ্রূণ বা শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকিকে ন্যায্যতা দেয় তবেই ব্যবহার করুন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
এই ওষুধ সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন
প্যাক সাইজ
মেয়াদ
সাধারণত খোলার আগে ২৪-৩৬ মাস। খোলার পর ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবহার করুন।
প্রাপ্যতা
বিশ্বব্যাপী ফার্মেসীগুলোতে পাওয়া যায়
অনুমোদনের অবস্থা
প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা (যেমন: এফডিএ, ডিজিডিএ) দ্বারা অনুমোদিত
পেটেন্ট অবস্থা
জেনেরিক
WHO অত্যাবশ্যক ওষুধ
হ্যাঁবাংলাদেশে বিকল্প ওষুধ
বাজারে পাওয়া যায় এমন অনুরূপ ওষুধ
বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ড নাম
এই ওষুধের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নাম
অ্যালবুট্রিম ব্র্যান্ডের অন্যান্য ওষুধ
একই ব্র্যান্ড নামের অধীনে উপলব্ধ অন্যান্য ওষুধ
আরও ওষুধ
অন্যান্য ওষুধ দেখুন যা আপনার আগ্রহের হতে পারে

