অ্যাকুয়াকাল-ডি
জেনেরিক নাম
ক্যালসিয়াম কার্বনেট ১২৫০ মি.গ্রা. (বিশুদ্ধ ক্যালসিয়াম ৫০০ মি.গ্রা. এর সমতুল্য) + ভিটামিন ডি৩ ২০০ আই.ইউ. ট্যাবলেট
প্রস্তুতকারক
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লি.
দেশ
বাংলাদেশ
Loading images...
মূল্যের বিবরণ
বর্তমান বাজার মূল্যের তথ্য
| ভেরিয়েন্ট | একক মূল্য | পাতার মূল্য |
|---|---|---|
| aquacal d 500 mg tablet | ১১.০০৳ | ১১০.০০৳ |
বর্ণনা
ওষুধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
অ্যাকুয়াকাল-ডি ৫০০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট হলো ক্যালসিয়াম কার্বনেট এবং ভিটামিন ডি৩ (কোলিক্যালসিফেরল) এর সমন্বয়ে গঠিত একটি ঔষধ। এটি এমন ব্যক্তিদের ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি এর অভাব পূরণে ব্যবহৃত হয় যারা তাদের খাদ্য থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করেন না অথবা যাদের নির্দিষ্ট অবস্থার জন্য বর্ধিত মাত্রার প্রয়োজন হয়। এটি হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
ব্যবহার ও নির্দেশনা
ডোজ
বয়স্ক রোগী
প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই ডোজ, তবে কিডনির সমস্যা থাকলে সতর্ক থাকতে হবে। ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।
কিডনি সমস্যা
সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন এবং ক্যালসিয়াম ও ফসফেট স্তর পর্যবেক্ষণ করুন। ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।
প্রাপ্তবয়স্ক
সাধারণত প্রতিদিন ১-২ টি ট্যাবলেট, অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। খাবারের সাথে গ্রহণ করা উচিত।
কীভাবে গ্রহণ করবেন
মৌখিকভাবে। ট্যাবলেট চিবিয়ে বা আস্ত গিলে খাওয়া যেতে পারে। শোষণ বাড়াতে এবং গ্যাস্ট্রিক অস্বস্তি কমাতে খাবারের সাথে গ্রহণ করা ভালো। উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবারের সাথে গ্রহণ করবেন না।
কার্যপ্রণালী
ক্যালসিয়াম কার্বনেট বিশুদ্ধ ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে যা হাড় গঠন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং স্নায়ু সঞ্চালন ও পেশী সংকোচন এর মতো বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়াকলাপের জন্য অপরিহার্য। ভিটামিন ডি৩ (কোলিক্যালসিফেরল) ক্যালসিয়াম এবং ফসফেটের সমতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়ামের শোষণ এবং হাড়ে এর সঞ্চয়ে সহায়তা করে, যার ফলে হাড়ের খনিজ ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়।
ফার্মাকোকাইনেটিক্স
শোষণ
ক্যালসিয়াম কার্বনেট মূলত ক্ষুদ্রান্ত্রে শোষিত হয়, যার শোষণ কার্যকারিতা খাদ্যের গ্রহণ এবং ভিটামিন ডি এর অবস্থার উপর নির্ভর করে। ভিটামিন ডি৩ গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্ট থেকে ভালোভাবে শোষিত হয়, বিশেষ করে পিত্ত লবণের উপস্থিতিতে।
নিঃসরণ
ক্যালসিয়াম প্রধানত মলের মাধ্যমে এবং সামান্য পরিমাণে প্রস্রাবের মাধ্যমে নির্গত হয়। ভিটামিন ডি৩ এর মেটাবোলাইটগুলি প্রধানত পিত্ত এবং মলের মাধ্যমে, এবং কিছু পরিমাণে কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়।
হাফ-লাইফ
বিশুদ্ধ ক্যালসিয়ামের হাফ-লাইফ পরিবর্তনশীল। ভিটামিন ডি৩ এর হাফ-লাইফ প্রায় ১৫-২০ দিন, তবে এর সক্রিয় মেটাবোলাইট ক্যালসিট্রিয়লের হাফ-লাইফ কম।
মেটাবলিজম
ক্যালসিয়াম মেটাবোলাইজড হয় না। ভিটামিন ডি৩ লিভারে ২৫-হাইড্রোক্সিভিটামিন ডি (ক্যালসিফেডিওল) এবং তারপর কিডনিতে সক্রিয় ফর্ম ১,২৫-ডাইহাইড্রোক্সিভিটামিন ডি (ক্যালসিট্রিয়ল) এ হাইড্রোক্সিলেটেড হয়।
কার্য শুরু
ক্যালসিয়ামের মাত্রার উপর প্রভাব কয়েক ঘন্টার মধ্যে দেখা যায়, তবে হাড়ের উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্য সুবিধার জন্য দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার প্রয়োজন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
প্রতিনির্দেশনা
- •হাইপারক্যালসিমিয়া (রক্তে উচ্চ ক্যালসিয়াম)
- •হাইপারক্যালসিউরিয়া (প্রস্রাবে উচ্চ ক্যালসিয়াম)
- •তীব্র কিডনি অকার্যকরতা
- •যেকোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা
- •হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজম (প্রাথমিক)
- •হাইপারভিটামিনোসিস ডি
ওষুধের মিথস্ক্রিয়া
ডিগক্সিন
উচ্চ ক্যালসিয়াম মাত্রা ডিগক্সিনের প্রভাব বাড়িয়ে দিতে পারে, যা অ্যারিথমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
বিসফসফোনেটস
ক্যালসিয়াম বিসফসফোনেটের শোষণ ব্যাহত করতে পারে। বিসফসফোনেট গ্রহণের কমপক্ষে ৩০-৬০ মিনিট পরে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করুন।
থিয়াজাইড ডাইউরেটিকস
প্রস্রাবের ক্যালসিয়াম নিঃসরণ কমিয়ে হাইপারক্যালসিমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
টেট্রাসাইক্লিন এবং কুইনোলন
ক্যালসিয়াম টেট্রাসাইক্লিন এবং কুইনোলন অ্যান্টিবায়োটিকের শোষণ কমাতে পারে। এই অ্যান্টিবায়োটিকগুলির ২ ঘন্টা আগে বা ৪-৬ ঘন্টা পরে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করুন।
থাইরয়েড হরমোন (লেভোথাইরক্সিন)
ক্যালসিয়াম থাইরয়েড হরমোনের শোষণকে ব্যাহত করতে পারে। লেভোথাইরক্সিন থেকে কমপক্ষে ৪ ঘন্টা ব্যবধানে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করুন।
সংরক্ষণ
৩০°সেলসিয়াস এর নিচে শীতল ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন। আলো ও আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
মাত্রাতিরিক্ত
অতিরিক্ত মাত্রার লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে হাইপারক্যালসিমিয়া (বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ব্যথা, পেশী দুর্বলতা, পলিউরিয়া, পলিডিপসিয়া, ক্লান্তি, বিভ্রান্তি) এবং হাইপারভিটামিনোসিস ডি। চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে সম্পূরক বন্ধ করা, হাইড্রেশন এবং মূত্রবর্ধক বা কর্টিকোস্টেরয়েড দিয়ে তীব্র হাইপারক্যালসিমিয়া পরিচালনা করা।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে গর্ভাবস্থা এবং স্তন্যদানকালে পরিপূরক হিসেবে নিরাপদ এবং প্রায়শই সুপারিশ করা হয় যদি খাদ্যে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না থাকে বা অভাব থাকে। অতিরিক্ত মাত্রা এড়ানো উচিত।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
এই ওষুধ সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন
প্যাক সাইজ
মেয়াদ
সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে উৎপাদন তারিখ থেকে ২৪-৩৬ মাস।
প্রাপ্যতা
ফার্মেসী, ঔষধের দোকান, সুপারমার্কেট
অনুমোদনের অবস্থা
বাংলাদেশ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত
পেটেন্ট অবস্থা
জেনেরিক
বাংলাদেশে বিকল্প ওষুধ
বাজারে পাওয়া যায় এমন অনুরূপ ওষুধ
বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ড নাম
এই ওষুধের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নাম
আরও ওষুধ
অন্যান্য ওষুধ দেখুন যা আপনার আগ্রহের হতে পারে
