সিনজার্ড-এম-এক্সআর
জেনেরিক নাম
এমপাগ্লিফ্লোজিন ও মেটফর্মিন হাইড্রোক্লোরাইড এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেট
প্রস্তুতকারক
ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
দেশ
বাংলাদেশ
Loading images...
মূল্যের বিবরণ
বর্তমান বাজার মূল্যের তথ্য
| ভেরিয়েন্ট | একক মূল্য | পাতার মূল্য |
|---|---|---|
| sinjard m xr 5 mg tablet | ৩০.০০৳ | ২১০.০০৳ |
বর্ণনা
ওষুধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
সিনজার্ড-এম-এক্সআর ৫ মি.গ্রা. ট্যাবলেট হলো টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাস চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত একটি কম্বিনেশন ওষুধ। এতে এমপাগ্লিফ্লোজিন এবং মেটফর্মিন হাইড্রোক্লোরাইড এক্সটেন্ডেড-রিলিজ উপাদান রয়েছে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
ব্যবহার ও নির্দেশনা
ডোজ
বয়স্ক রোগী
বয়সের উপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে বয়স্কদের কিডনি বৈকল্যের ঝুঁকি বাড়ার কারণে কিডনির কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
কিডনি সমস্যা
গুরুতর কিডনি বৈকল্যে (eGFR <30 mL/min/1.73m²) প্রতিনির্দেশিত। মাঝারি কিডনি বৈকল্যে eGFR-এর উপর ভিত্তি করে ডোজ সমন্বয় বা বন্ধ করা প্রয়োজন হতে পারে।
প্রাপ্তবয়স্ক
সাধারণত শুরু করার ডোজ হলো প্রতিদিন একবার সন্ধ্যায় খাবারের সাথে এমপাগ্লিফ্লোজিন ৫ মি.গ্রা./মেটফর্মিন হাইড্রোক্লোরাইড এক্সআর ১০০০ মি.গ্রা.। কার্যকারিতা এবং সহনশীলতার উপর ভিত্তি করে ডোজ ব্যক্তিগতকরণ করা উচিত, যা এমপাগ্লিফ্লোজিনের সর্বোচ্চ প্রস্তাবিত ডোজ (২৫ মি.গ্রা.) এবং মেটফর্মিনের (২০০০ মি.গ্রা.) বেশি হওয়া উচিত নয়।
কীভাবে গ্রহণ করবেন
ট্যাবলেটটি প্রতিদিন একবার সন্ধ্যায় খাবারের সাথে সম্পূর্ণ গিলে ফেলুন। চিবানো, ভাঙা বা গুঁড়ো করা যাবে না।
কার্যপ্রণালী
এমপাগ্লিফ্লোজিন কিডনিতে সোডিয়াম-গ্লুকোজ কো-ট্রান্সপোর্টার ২ (SGLT2) এর কার্যকারিতা বন্ধ করে প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত গ্লুকোজ শরীর থেকে বের করে দেয়। মেটফর্মিন যকৃত থেকে গ্লুকোজ উৎপাদন কমায়, অন্ত্রে গ্লুকোজ শোষণ হ্রাস করে এবং ইনসুলিনের প্রতি শরীরের সংবেদনশীলতা বাড়ায়।
ফার্মাকোকাইনেটিক্স
শোষণ
এমপাগ্লিফ্লোজিন দ্রুত শোষিত হয়। মেটফর্মিন গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্ট থেকে ধীরে ধীরে এবং অসম্পূর্ণভাবে শোষিত হয়।
নিঃসরণ
এমপাগ্লিফ্লোজিন মূলত মূত্রের মাধ্যমে নিঃসৃত হয়। মেটফর্মিন অপরিবর্তিত রূপে মূত্রের মাধ্যমে নিঃসৃত হয়।
হাফ-লাইফ
এমপাগ্লিফ্লোজিন: প্রায় ১২ ঘণ্টা। মেটফর্মিন: প্রায় ৪-৯ ঘণ্টা।
মেটাবলিজম
এমপাগ্লিফ্লোজিন গ্লুকুরোনিডেশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। মেটফর্মিন মেটাবলাইজড হয় না।
কার্য শুরু
কয়েক ঘণ্টার মধ্যে।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
প্রতিনির্দেশনা
- •ওষুধের উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা
- •ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস
- •গুরুতর কিডনি বৈকল্য (eGFR <30 mL/min/1.73m²)
- •মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস, ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিস সহ
- •তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস, ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস সহ বা ছাড়া
ওষুধের মিথস্ক্রিয়া
অ্যালকোহল
মেটফর্মিনের সাথে অ্যালকোহল সেবনে ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
ডাইউরেটিকস (যেমন থিয়াজাইড এবং লুপ ডাইউরেটিকস)
এমপাগ্লিফ্লোজিনের সাথে একসাথে সেবন করলে ডিহাইড্রেশন এবং নিম্ন রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
ক্যাশনিক ড্রাগ (যেমন সিমেটিডিন, ট্রাইমেথোপ্রিম, রেনিটিডিন)
মেটফর্মিনের নিঃসরণ হ্রাস করতে পারে, ফলে রক্তে মেটফর্মিনের ঘনত্ব বেড়ে যেতে পারে।
সংরক্ষণ
৩০°C তাপমাত্রার নিচে শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
মাত্রাতিরিক্ত
অতিরিক্ত মাত্রার ক্ষেত্রে ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিস হতে পারে (মেটফর্মিনের কারণে)। লক্ষণভিত্তিক এবং সহায়ক চিকিৎসা প্রয়োজন। গুরুতর ক্ষেত্রে হেমোডায়ালাইসিস বিবেচনা করা যেতে পারে।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থায় (বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ট্রাইমেস্টারে) এবং স্তন্যদানকালে এই ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না। এই সময়ে ব্যবহারের কথা বিবেচনা করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
এই ওষুধ সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন
প্যাক সাইজ
মেয়াদ
উৎপাদন তারিখ থেকে ২৪ মাস
প্রাপ্যতা
দেশব্যাপী ফার্মেসি ও হাসপাতালে পাওয়া যায়
অনুমোদনের অবস্থা
এফডিএ/ডিজিডিএ অনুমোদিত
পেটেন্ট অবস্থা
পেটেন্টযুক্ত (এমপাগ্লিফ্লোজিন উপাদান এবং নির্দিষ্ট সংমিশ্রণ ফর্মুলেশনের জন্য)
বাংলাদেশে বিকল্প ওষুধ
বাজারে পাওয়া যায় এমন অনুরূপ ওষুধ
বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ড নাম
এই ওষুধের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নাম
আরও ওষুধ
অন্যান্য ওষুধ দেখুন যা আপনার আগ্রহের হতে পারে
