ইউরিলাইজার
জেনেরিক নাম
ইউরিলাইজার ১৫০০ মি.গ্রা. ওরাল সলিউশন
প্রস্তুতকারক
মেডিকর্প ফার্মা
দেশ
বাংলাদেশ
Loading images...
মূল্যের বিবরণ
বর্তমান বাজার মূল্যের তথ্য
| ভেরিয়েন্ট | একক মূল্য | পাতার মূল্য |
|---|---|---|
| urilizer 1500 mg oral solution | ২০০.০০৳ | N/A |
বর্ণনা
ওষুধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
ইউরিলাইজার ১৫০০ মি.গ্রা. ওরাল সলিউশন মূত্রের পিএইচ বাড়িয়ে এটিকে আরও ক্ষারীয় করে তোলে, যা নির্দিষ্ট ধরণের কিডনি পাথর (যেমন ইউরিক অ্যাসিড এবং সিস্টিন পাথর) প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ব্যবহার ও নির্দেশনা
ডোজ
বয়স্ক রোগী
প্রাপ্তবয়স্কদের ডোজের অনুরূপ, তবে বয়স্ক রোগীদের কিডনি কার্যকারিতা বয়স-সম্পর্কিত হ্রাসের কারণে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত এবং সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
কিডনি সমস্যা
কিডনি কার্যকারিতা দুর্বল এমন রোগীদের জন্য ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন। গুরুতর কিডনি ব্যর্থতায় প্রতিনির্দেশিত। নির্দিষ্ট ডোজের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
প্রাপ্তবয়স্ক
সাধারণত ১-২ টেবিল চামচ (১৫-৩০ মি.লি.) পানিতে মিশিয়ে দিনে ২-৩ বার, preferably খাবারের পর। মূত্রের পিএইচ ৬.৫ থেকে ৭.৫ এর মধ্যে বজায় রাখার জন্য ডোজ সামঞ্জস্য করুন।
কীভাবে গ্রহণ করবেন
খাবারের পর এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে মৌখিকভাবে সেবন করুন যাতে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল জ্বালা কমে। সঠিক ডোজের জন্য একটি পরিমাপক চামচ বা কাপ ব্যবহার করুন।
কার্যপ্রণালী
এই ঔষধটি একটি সিস্টেমেটিক অ্যালকালাইজার হিসাবে কাজ করে। এটি মূত্রের পিএইচ বাড়িয়ে মূত্রকে কম অম্লীয় করে তোলে। এই প্রক্রিয়াটি ইউরিক অ্যাসিড এবং সিস্টিন পাথরের দ্রবণীয়তা বাড়িয়ে এবং সিস্টিনের স্ফটিককরণ প্রতিরোধ করে ইউরিক অ্যাসিড ও সিস্টিন পাথর দ্রবীভূত করতে এবং তাদের গঠন প্রতিরোধে সহায়তা করে।
ফার্মাকোকাইনেটিক্স
শোষণ
মৌখিক সেবনের পর গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্ট থেকে দ্রুত শোষিত হয়। ১-২ ঘন্টার মধ্যে সর্বোচ্চ প্লাজমা ঘনত্ব অর্জিত হয়।
নিঃসরণ
প্রধানত কিডনির মাধ্যমে রেচিত হয়, যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ অপরিবর্তিত ঔষধ বা মেটাবোলাইট হিসাবে মূত্রে দেখা যায়।
হাফ-লাইফ
হাফ-লাইফ প্রায় ২-৩ ঘণ্টা।
মেটাবলিজম
প্রধানত যকৃতে মেটাবলাইজড হয়।
কার্য শুরু
সাধারণত সেবনের ১-২ ঘন্টার মধ্যে কার্যকর হতে শুরু করে।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
প্রতিনির্দেশনা
- •মারাত্মক কিডনি ব্যর্থতা (গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেশন রেট < ৩০ মি.লি./মিনিট)
- •হাইপারক্যালেমিয়া বা হাইপারক্যালেমিয়ার প্রবণতাকারী অবস্থা (যেমন অ্যাডিসন রোগ, তীব্র পানিশূন্যতা, ব্যাপক টিস্যু ক্ষতি)
- •চিকিৎসাহীন পেপটিক আলসার রোগ
- •সক্রিয় মূত্রনালীর সংক্রমণ (যদি না একই সাথে উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি দেওয়া হয়)
- •যে কোনো অবস্থা যেখানে পটাসিয়াম বা সোডিয়াম ধারণ প্রতিনির্দেশিত
ওষুধের মিথস্ক্রিয়া
অ্যালুমিনিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড
অ্যালুমিনিয়ামের শোষণ বৃদ্ধি করে, যা অ্যালুমিনিয়াম বিষাক্ততার কারণ হতে পারে।
এনএসএআইডি (ননস্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগস)
কিডনি থেকে পটাশিয়াম নিঃসরণ কমাতে পারে, হাইপারক্যালেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
এসিই ইনহিবিটর এবং অ্যাঞ্জিওটেনসিন রিসেপ্টর ব্লকার (এআরবি)
হাইপারক্যালেমিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
পটাশিয়াম-সংরক্ষণকারী ডাইউরেটিকস (যেমন স্পাইরোনোল্যাকটোন, অ্যামিলোরিড)
একসাথে ব্যবহার করলে গুরুতর হাইপারক্যালেমিয়া হতে পারে।
সংরক্ষণ
২৫° সেলসিয়াস এর নিচে একটি শীতল ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন। আলো ও আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
মাত্রাতিরিক্ত
অতিরিক্ত মাত্রার লক্ষণগুলির মধ্যে গুরুতর হাইপারক্যালেমিয়া (যেমন পেশী দুর্বলতা, প্যারেস্থেসিয়া, ক্লান্তি, ইসিজি পরিবর্তন) এবং মেটাবলিক অ্যালকালোসিস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। ব্যবস্থাপনার মধ্যে ঔষধ বন্ধ করা, ইলেক্ট্রোলাইট পর্যবেক্ষণ এবং সহায়ক যত্ন অন্তর্ভুক্ত। গুরুতর ক্ষেত্রে, ডায়ালাইসিস প্রয়োজন হতে পারে।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
ক্যাটাগরি সি। গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকালে শুধুমাত্র সুস্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে এবং ভ্রূণ বা শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে সম্ভাব্য সুবিধা বেশি হলে ব্যবহার করুন। ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
এই ওষুধ সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন
প্যাক সাইজ
মেয়াদ
উত্পাদনের তারিখ থেকে ২৪ মাস যখন সুপারিশকৃত শর্তে সংরক্ষণ করা হয়।
প্রাপ্যতা
সারা দেশের ফার্মেসিগুলোতে
অনুমোদনের অবস্থা
ডিজিডিএ কর্তৃক অনুমোদিত
পেটেন্ট অবস্থা
পেটেন্ট প্রক্রিয়াধীন
বাংলাদেশে বিকল্প ওষুধ
বাজারে পাওয়া যায় এমন অনুরূপ ওষুধ
বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ড নাম
এই ওষুধের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নাম
আরও ওষুধ
অন্যান্য ওষুধ দেখুন যা আপনার আগ্রহের হতে পারে
