সিনজার্ড-এম
জেনেরিক নাম
এমপাগ্লিফ্লোজিন এবং মেটফর্মিন হাইড্রোক্লোরাইড
প্রস্তুতকারক
উদাহরণ ফার্মা লি. (কাল্পনিক, প্রকৃত প্রস্তুতকারক অঞ্চলভেদে ভিন্ন হয়)
দেশ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (মূল ওষুধের জন্য, জেনেরিক ব্র্যান্ডের জন্য ভিন্ন হতে পারে)
Loading images...
মূল্যের বিবরণ
বর্তমান বাজার মূল্যের তথ্য
| ভেরিয়েন্ট | একক মূল্য | পাতার মূল্য |
|---|---|---|
| sinjard m 125 mg tablet | ৩০.০০৳ | ২১০.০০৳ |
বর্ণনা
ওষুধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
সিনজার্ড-এম ১২.৫ মি.গ্রা./১০০০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট হলো এমপাগ্লিফ্লোজিন (একটি এসজিএলটি২ ইনহিবিটর) এবং মেটফর্মিন হাইড্রোক্লোরাইড (একটি বাইগুয়ানাইড) এর একটি সম্মিলিত মৌখিক অ্যান্টিডায়াবেটিক ঔষধ। এটি প্রাপ্তবয়স্কদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস মেলিটাসে খাদ্য ও ব্যায়ামের সাথে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়।
ব্যবহার ও নির্দেশনা
ডোজ
বয়স্ক রোগী
বয়স-সম্পর্কিত রেনাল ফাংশন হ্রাসের সম্ভাবনার কারণে সতর্কতার সাথে ডোজ সমন্বয় করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
কিডনি সমস্যা
eGFR <৩০ mL/min/১.৭৩m² এর জন্য সুপারিশ করা হয় না। eGFR ৩০-৬০ mL/min/১.৭৩m² এর জন্য ডোজ সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।
প্রাপ্তবয়স্ক
প্রাথমিক ডোজ সাধারণত এমপাগ্লিফ্লোজিন ৫ মি.গ্রা. / মেটফর্মিন ৫০০ মি.গ্রা. বা ১০০০ মি.গ্রা. দিনে একবার, কার্যকারিতা এবং সহনশীলতার উপর ভিত্তি করে সমন্বয় করা হয়। এই নির্দিষ্ট শক্তি (১২.৫ মি.গ্রা./১০০০ মি.গ্রা.) সাধারণত খাবারের সাথে দিনে একবার বা দুইবার নেওয়া হয়। সর্বোচ্চ এমপাগ্লিফ্লোজিন ২৫ মি.গ্রা./দিন এবং মেটফর্মিন ২০০০ মি.গ্রা./দিন।
কীভাবে গ্রহণ করবেন
মেটফর্মিন-সম্পর্কিত গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতে খাবারের সাথে মৌখিকভাবে সেবন করুন। ট্যাবলেটটি আস্ত গিলে ফেলুন; চূর্ণ, কাটা বা চিবানো যাবে না।
কার্যপ্রণালী
এমপাগ্লিফ্লোজিন কিডনিতে সোডিয়াম-গ্লুকোজ কো-ট্রান্সপোর্টার ২ (SGLT2) কে বাধা দেয়, যার ফলে গ্লুকোজের পুনঃশোষণ কমে এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে গ্লুকোজ নির্গমন বাড়ে। মেটফর্মিন যকৃতের গ্লুকোজ উৎপাদন কমায়, অন্ত্রে গ্লুকোজ শোষণ হ্রাস করে এবং পেরিফেরাল গ্লুকোজ গ্রহণ ও ব্যবহার বাড়িয়ে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করে।
ফার্মাকোকাইনেটিক্স
শোষণ
এমপাগ্লিফ্লোজিন দ্রুত শোষিত হয় এবং ১.৫ ঘন্টার মধ্যে সর্বোচ্চ প্লাজমা ঘনত্বে পৌঁছায়। মেটফর্মিনের ৫০-৬০% পরম জৈব-উপলব্ধতা রয়েছে, তাৎক্ষণিক নিঃসরণের জন্য ২-৩ ঘন্টার মধ্যে সর্বোচ্চ প্লাজমা ঘনত্বে পৌঁছায়।
নিঃসরণ
এমপাগ্লিফ্লোজিন: প্রায় অর্ধেক ডোজ অপরিবর্তিত অবস্থায় প্রস্রাবে এবং অর্ধেক মলের মাধ্যমে নিঃসৃত হয়। মেটফর্মিন: প্রধানত অপরিবর্তিত অবস্থায় প্রস্রাবের মাধ্যমে নিঃসৃত হয়।
হাফ-লাইফ
এমপাগ্লিফ্লোজিন: প্রায় ১০-১৩ ঘন্টা। মেটফর্মিন: প্রায় ৪-৯ ঘন্টা।
মেটাবলিজম
এমপাগ্লিফ্লোজিন প্রধানত গ্লুকুরোনিডেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মেটাবলাইজড হয়। মেটফর্মিন মেটাবলাইজড হয় না এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় নিঃসৃত হয়।
কার্য শুরু
প্রথম ডোজের কয়েক ঘন্টার মধ্যে গ্লাইসেমিক প্রভাব শুরু হয়, সম্পূর্ণ প্রভাব কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেখা যায়।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
প্রতিনির্দেশনা
- •এমপাগ্লিফ্লোজিন, মেটফর্মিন, বা ফর্মুলেশনের যেকোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা।
- •গুরুতর কিডনি সমস্যা (eGFR <৩০ mL/min/১.৭৩m²)।
- •ডায়াবেটিক কিটোএসিডোসিস (DKA) সহ বা ছাড়া মেটাবলিক এসিডোসিস।
- •তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী মেটাবলিক এসিডোসিস, ল্যাকটিক এসিডোসিস সহ।
- •রেনাল ফাংশন পরিবর্তনের সম্ভাবনাসহ তীব্র অবস্থা (যেমন, ডিহাইড্রেশন, গুরুতর সংক্রমণ, শক)।
- •তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী রোগ যা টিস্যু হাইপোক্সিয়া ঘটাতে পারে (যেমন, কার্ডিয়াক বা শ্বাসযন্ত্রের ব্যর্থতা, সাম্প্রতিক মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন, শক)।
- •যকৃতের সমস্যা।
- •অ্যালকোহল অপব্যবহার।
ওষুধের মিথস্ক্রিয়া
অ্যালকোহল
ল্যাকটিক এসিডোসিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
আয়োডিনেটেড কনট্রাস্ট এজেন্ট
eGFR ৩০ থেকে ৬০ mL/min/১.৭৩m² এর মধ্যে থাকা রোগীদের, যকৃতের রোগ, অ্যালকোহলিজম বা হার্ট ফেইলিউরের ইতিহাসযুক্ত রোগীদের অথবা যাদের ইন্ট্রা-আর্টারিয়াল আয়োডিনেটেড কনট্রাস্ট দেওয়া হবে, তাদের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়ার আগে বা সময় সাময়িকভাবে সিনজার্ড-এম বন্ধ রাখতে হবে।
ডাইউরেটিকস (বিশেষত লুপ ডাইউরেটিকস)
ডিহাইড্রেশন এবং হাইপোটেনশনের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, যা কিডনির কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
কর্টিকোস্টেরয়েড, সিম্প্যাθοমিমেটিক্স, থিয়াজাইডস
সিনজার্ড-এম এর গ্লাইসেমিক প্রভাব কমাতে পারে।
ইনসুলিন এবং ইনসুলিন সিক্রেটাগগস (যেমন, সালফোনাইলুরিয়াস)
হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়, ইনসুলিন বা সিক্রেটাগগসের ডোজ কমানোর প্রয়োজন হতে পারে।
যেসব ওষুধ মেটফর্মিন নিষ্কাশন কমায় (যেমন, সিমেটিডিন, রানোলাজিন, ডোলুটেগ্রাফির)
মেটফর্মিনের মাত্রা এবং ল্যাকটিক এসিডোসিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
সংরক্ষণ
৩০°C এর নিচে শুষ্ক স্থানে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
মাত্রাতিরিক্ত
এমপাগ্লিফ্লোজিনের অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনে অত্যধিক ডিউরেসিস এবং ডিহাইড্রেশন হতে পারে। মেটফর্মিনের অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনে ল্যাকটিক এসিডোসিস হতে পারে, বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে। চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে সহায়ক ব্যবস্থা, ডিহাইড্রেশন সংশোধন এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ। মেটফর্মিন অপসারণের জন্য হেমাডায়ালাইসিস ব্যবহার করা যেতে পারে।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থায় সাধারণত সুপারিশ করা হয় না (এমপাগ্লিফ্লোজিন প্রেগন্যান্সি ক্যাটাগরি সি, মেটফর্মিন ক্যাটাগরি বি)। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে এড়িয়ে চলুন। এমপাগ্লিফ্লোজিন মানুষের দুধে নিঃসৃত হয় কিনা তা অজানা; মেটফর্মিন মানুষের দুধে নিঃসৃত হয়। তাই স্তন্যদানকালে এটি সুপারিশ করা হয় না।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
এই ওষুধ সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন
প্যাক সাইজ
মেয়াদ
উৎপাদন তারিখ থেকে ২৪ থেকে ৩৬ মাস
প্রাপ্যতা
ফার্মেসী এবং হাসপাতাল
অনুমোদনের অবস্থা
প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা (যেমন, এফডিএ, ইএমএ, ডিজিডিএ) দ্বারা অনুমোদিত
পেটেন্ট অবস্থা
পেটেন্ট সুরক্ষিত (উৎপাদক ব্র্যান্ডের জন্য, উপাদানের জন্য জেনেরিক থাকতে পারে)
বাংলাদেশে বিকল্প ওষুধ
বাজারে পাওয়া যায় এমন অনুরূপ ওষুধ
বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ড নাম
এই ওষুধের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নাম
সিনজার্ড-এম ব্র্যান্ডের অন্যান্য ওষুধ
একই ব্র্যান্ড নামের অধীনে উপলব্ধ অন্যান্য ওষুধ
আরও ওষুধ
অন্যান্য ওষুধ দেখুন যা আপনার আগ্রহের হতে পারে

